গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

| আপডেট :  ০২ মার্চ ২০২৪, ০১:১২  | প্রকাশিত :  ০২ মার্চ ২০২৪, ০১:১২


গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয়

চাঁদপুর প্রতিনিধি


গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিকাশ ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না বলে মন্তব্য করে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত জানান, এরকম বাস্তবতায় গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী ও মজবুত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠা করতে সরকার পূর্ণাঙ্গভাবে সকল সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

১ মার্চ, শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে প্রেসক্লাবের ২০২৪ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শান্তর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও টিভি টুডে-এর প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটোয়ারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, দৈনিক যুগান্তরের যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীব বিজ্ঞানী ড. সেঁজুতি সাহা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকার কবির বকুলকে অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আলী আরাফাত বলেন, গণমাধ্যম এখন শিল্প। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিকাশ ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। এরকম বাস্তবতায় সরকার গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গভাবে সব সহায়তা দিতে প্রস্তুত। সে ক্ষেত্রে সরকার সাংবাদিকদের কাছ থেকে একই ধরনের সহযোগিতা চায়।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যম শিল্পকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য আমরা চেষ্টা করতে পারি। গণমাধ্যম কীভাবে সরকার বা কর্তৃপক্ষের জন্য সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে জবাবদিহি আনতে পারে, এমনকি সমালোচনা করতে পারে, সে কাজগুলোও আমরা করতে পারি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের মধ্যে সাংবাদিকতায় শৃঙ্খলা আনার একটি দাবি রয়েছে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাংবাদিকতাকে উন্মুক্ত ও অবারিত করেছেন, স্বাধীনতা দিয়েছেন। সেটা নিয়ন্ত্রণের কথা এখন সাংবাদিকরাই বলছেন।

সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। তবে যে কোনো পেশায় কিছু অপেশাদার মানুষ চলে আসে। সেসব ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই কিছু না কিছু শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজন আছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এই শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করে। গণমাধ্যম সেক্টরে সরকার যা কিছু করবে তা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতেই করবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়েই সরকার গুজব ও অপতথ্যকে মোকাবিলা করতে চায়। অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার গণতন্ত্রকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করবে, তেমনি গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

বিবার্তা/লিমন

© BBARTA24.NET
Developed by : ORANGEBD
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত