স্মার্টফোন এখন সবার হাতেই। ফোনে কথা বলা, কাজ করা, ছবি তোলা থেকে শুরু করে গান শোনা- সবই নির্ভর করছে ব্যাটারির ওপর। আর সেই ব্যাটারি সচল রাখতে চার্জারের কোনো বিকল্প নেই।
আজকাল হেডফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। কাজের ফাঁকে গান শোনা হোক বা ফোনে কথা বলা, প্রায় সবাই হেডফোন ব্যবহার করে। বাজারে মূলত দুই ধরনের হেডফোন পাওয়া যায়- একটি
বর্তমান সময়ের ডিজিটাল জীবনে ধীর ইন্টারনেট বা দুর্বল ওয়াই-ফাইয়ের সংকেত সত্যিই বিরক্তিকর। ভিডিও কল কেটে যাওয়া, অনলাইন মিটিং বা কাজের ফাইল আপলোডে দেরি সবই আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। তবে
অনেকের স্মার্টফোনে আড়ি পেতে দৈনন্দিন কার্যক্রম নজরদারি করে সাইবার অপরাধীরা। এমনকি ফোনে সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও হাতিয়ে নেয় তারা। ফলে তথ্য বেহাত হওয়ার পাশাপাশি অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। কাউকে কাউকে
বর্তমানে ফেসবুক শুধু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং তথ্য প্রচার, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্র্যান্ডিং ও ব্যক্তিগত ভাবনা প্রকাশের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে শুরু করে পেজ- সবখানেই মানুষ প্রতিদিন নানা ধরনের কনটেন্ট
হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপ কলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত অডিও বা ভিডিও কলে কথা বলেন অনেকেই। তবে ব্যস্ততা বা অফলাইনে থাকার কারণে সবার পক্ষে সব সময় অন্যদের করা
এবার কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য কঠিন নিয়ম করছে টিকটক। প্রতিষ্ঠানটি তাদের কমিউনিটি গাইডলাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এক ব্লগপোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টিকটকের গ্লোবাল ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি প্রধান
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যায় না। ছোট-বড় প্রায় সব বয়সী লোকরাই বিভিন্ন ধরনের ফোন ব্যবহার করে থাকেন। আর ফোন ব্যবহারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মোবাইল ডাটা। রাউটার ছাড়া
সযত্নে মোটা টাকা দিয়ে ফোন কিনেছেন। অথচ এক বছর না যেতেই মনে হচ্ছে ফোন যেন বুড়িয়ে গেছে। ধীরে ধীরে গতি কমে যাচ্ছে, হঠাৎ গরম হয়ে উঠছে, অ্যাপ চালু হতে সময়
প্রযুক্তি দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের নাম অ্যাপল। আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাকবুক বা অ্যাপল ওয়াচ- প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে নামটি মানেই আলাদা আভিজাত্য। তবে এই নামকরণের পেছনে রয়েছে মজার এক গল্প। ১৯৭৬