আমাদের জৈবিক ঘড়ি বা বায়োলজিক্যাল ক্লক শরীরের ঘুম, তাপমাত্রা, হরমোন নিঃসরণ, স্মৃতিশক্তি, ভালো লাগা, মন্দ লাগা সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই জৈবিক ঘড়ির নিয়মমাফিক আবর্তনের ফলেই আমাদের ঘুম সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
একচেটিয়াভাবে নবজাতককে মায়ের দুধ পান কমে গেলে শিশু অপুষ্টি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে জন্মের পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে স্তন্যপান না
কিডনি হলো মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা শিমের মতো দেখতে এবং শরীরের বর্জ্য পদার্থ অপসারণে প্রধান ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া কিডনি শরীরের তরল ও খনিজ পদার্থের ভারসাম্য রক্ষা করে, লোহিত
শিশুর জন্মের প্রথম ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং ৬ মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো একটি শিশুর সঠিক বিকাশে সাহায্য করে। ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত মায়ের দুধের
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে অন্যতম স্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা হলো রক্তাল্পতা, যে সমস্যায় সম্পৃক্ত এ অঞ্চলের প্রায় অর্ধেক কিশোরী ও নারী। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বর্তমানে ২৫ কোটি ৯০ লাখের বেশি নারী ও
করোনার ভুল রিপোর্ট দিয়ে বাণিজ্যের ফাঁদের অভিযোগে ঢাকার নামকরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রাভা হেলথের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সিমিন এম আক্তার, পরিচালক
সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়ম মেনে জীবনযাপনের বিকল্প আর কিছু নেই। যদি নিয়মমাফিক জীবনযাপন করেন, তাহলেই সুস্থ-সবল থাকবেন। কোন কোন নিয়ম মেনে চললে থাকা যাবে সুস্থ তাই নিয়ে লিখেছেন জান্নাতুল ফেরদৌস
ঢাকায় ২০০০ সালে ডেঙ্গু জ্বর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে মানুষকে আতঙ্কগ্রস্ত করে। শত শত রোগীর রক্ত এবং প্লাটিলেট জোগাড়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছিল মানুষ। সেই সময় চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতাও ছিল সীমিত। বর্তমানে মানুষের
পাল্টে গেছে ডেঙ্গুর উপসর্গ: ডেঙ্গুর উপসর্গের ধরন পাল্টে গেছে। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে লক্ষণের ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে যেসব উপসর্গ দেখা যায়—হঠাৎ জ্বর আসা, আবার জ্বর না থাকা, কাশি, শরীর ব্যথা,
প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ মেলিওডোসিস। ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত এ অবহেলিত রোগটি নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে। এরই মধ্যে ১৮টি জেলায় রোগটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ছড়িয়ে পড়ছে প্রান্তিক কৃষিজীবীদের মধ্যে—যারা মাটি ও